ইউরোনারি ট্যাক্ট ইনফ্যাকশন বা মূত্রনালীতে সংক্রমণ

মূত্রনালীতে সংক্রমণে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয় মহিলারা।  এই বেদনাদায়ক সংক্রমণ এন্টিবায়টিকে সেরে যায় তবে চিকিসা বিলম্বিত হ্’লে তা গুরুতর আকার নিতে পারে।

যখন ইউরোনারি ট্যাক্ট ইনফ্যাকশন বা মূত্রনালীতে সংক্রমণ শুরু হ্য় তখন ব্যাকক্ট্যেরিয়াগুলো মুত্রথলির গায়ে লেগে যায় এবং তা আটকে থাকে। এই ব্যাকট্যারিয়াগুলো মুত্রথলির ভেতরের কোষে যে ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র মলিকিউল বা অনু  আছে তাতে আকৃষ্ঠ হয়। এই মলিকুলারটিকে ম্যানোস বলা হয় যা এক ধরণের শর্করা।এই ম্যানোস মুত্রথলির ভেতরের দিকের দেওয়ালে পাওয়া যায় ।

জেমস জেনেথকাহ সেন্ট লুইস রাজ্যের ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক ও তার দল মেনোসাইড নামের একটি রাসায়নিক উপাদান আবিষ্কার করেছেন। এই পদার্থটি ম্যানোসের মতই কাজ করে। অর্থাৎ ব্যাক্টেরিয়া সহজেই এই পদার্থে আকৃষ্ঠ হয়। যদি ব্যাক্টেরিয়া ম্যানোসাইডে আটকে যায় তাহলে মুত্রথলির ভেতরর দেয়ালে যে ম্যানোস আছে সেখানে ব্যাক্টেরিয়া পৌঁছুতে পারবেনা।

গবেষক জেনেথকাহ জানালেন, বেশির ভাগ এন্টিবায়টিক্সই ব্যাকটেরিয়া মেরে ফেলে। আমরা যে উপাদানটি ব্যাবহার করছি তা প্রকৃত পক্ষে ব্যাকটেরিয়াগুলোকে আটকে দিচ্ছে যাতে মুত্রথলির ভেতরে গায়ে পৌঁছুতে না পারে।  এই উপাদানটি সাইটোটক্সিকও নয়। আর সেজন্য দেহের ভেতরে যে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা আছে তা স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় ব্যাক্টেরিয়াকে ধ্বংস করে।

এই প্রক্রিয়াটি ল্যাবরেটরিতে ইদুঁরের ওপরে পরিক্ষা করা হয়েছে । প্রধান গবেষক ‘কোরিন কোসো মাহনোহ’ জানিয়েছেন যে ইদুঁরের মূত্রনালীর সংক্রমণে কম্পাউন্ড ৬ ম্যানোসাইট ওষুধ দেয়ার পর দেখা গেছে যে এন্টিবায়টিকের থেকে বেশি ভাল কাজ করছে।

তিনি বলেন ম্যানোসাইট খাওয়ানোর ছ্য় ঘন্টা পর মুত্রথলিতে কতগুলো ব্যাক্টেরিয়া আছে তা তারা গুণে দেখেছেন। দেখা গিয়েছে যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ব্যাক্টেরিয়া মুত্রথলি থেকে কমে গিয়েছে। এন্টিবায়টিকের চাইতেও ঐ ওষুধটিতে ভাল কাজ করছে।

ম্যানোসাইট যেমন সংক্রমণ সারিয়ে তোলে তেমনি সংক্রমণ হওয়াও রোধ করে। এর একটা কারন ম্যানোসাইট মুত্রথলির গায়ে ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে দেয় না। জেনেথকাহ জানানেল যে এই একই পদ্ধতি প্রয়োগ করা যেতে পারে অন্য যে কোন রকমের সংক্রমণ সারানোর জন্য । সায়েন্স ট্রান্সলেশনাল মেডিসিন জার্নালে এই গবে্ষণার রিপোর্টি প্রকাশিত হয়েছে।

<!–AV–>

[Read More]

—–
Source: VOA News: Economy and Finance


 

Comments are closed. Please check back later.

 
 
 
1