সংযমের এই মাসের বহুমাত্রিক তাৎপর্যের কথা বললেন ড রাশেদ নিজাম

 

ড রাশেদ নিজাম, যিনি ব্যক্তিগত জীবনে যুক্তরাষ্ট্রের মিসৌরি অঙ্গরাজ্যের কলাম্বিয়ায় একজন বিশিষ্ট চক্ষু চিকিৎসক ,  যুক্তরাষ্ট্রে মুসলমানদের কয়েকটি উল্লেখযোগ্য সংগঠনের সঙ্গে ও জড়িত । তিনি উত্তর আমেরিকার বাংলাদেশীদের ইসলামি সংগঠন নাবিক ‘এর সদ্য প্রাক্তন সভাপতি এবং ইসলামিক সোসাইটি অফ নর্থ আমেরিকা ( ইসনার ) অন্যতম এক প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। সম্প্রতি তিনি ওয়াশিংটন ডিসিতে ইউ এস এইড এর আমন্ত্রণে এক ইফতার মহফিলে যোগ দেন এবং সেখানে প্রতিবেশ বিষয়ে আলোচনায় অংশ নেন। ইউএস এইডে তার এই আমন্ত্রণ সম্পর্কে তিনি বলেন যে সমাজের বিভিন্ন স্তরের লোকদের প্রাকৃতিক পরিবেশ সংরক্ষণে সচেতন করে তোলাই ছিল ঐ আমন্ত্রণের মূল লক্ষ্য। সেখানে পরিবেশ সংরক্ষণে সমাজের উদ্যোগ সম্পর্কে কথাবার্তা হয় সেই সঙ্গে ইউএস এইড মুসলিম প্রধান দেশগুলোতে যে সাহায্য সহযোগিতা করছে সেই বিষয়টিও তুলে দরা হয়।

 

ড  রাশেদ নিজাম বলেন যে রমজানের  এই মাসেই কোরান নাজেল হয় এবং কোরান যে বিজ্ঞানকে প্রাধান্য দিয়েছে , সে কথাও আলোচনায় উঠে আসে। সংযমের মাস এই রমজানে মুসলমানরা যে প্রকৃতি সংরক্ষণে বলিষ্ঠভূমিকা পালন করতে পারে সে কথাও উল্লেখ করা হয়। বলা হয় এই মাসে মুসলমানদের মধ্যে যে সংযম ও সংবেদনশীলতা লক্ষ্য করা যায় , অন্য মানুষের প্রতি , প্রকৃতির প্রতিও তা সকলের জনেই অনুকরনীয় ।

 

উত্তর আমেরিকার বাংলাদেশিদের ইসলামি সংগঠন , নাবিক’এর কার্যক্রম ও ড রাশেদ নিজাম এই সাক্ষাৎকারে তুলে ধরেন। তিনি বাংলাদেশের সমাজ উন্নয়নে , শিক্ষা ও স্বাস্থ্য বিষয়ক প্রকল্পের কথা উল্লেখ করেন । তিনি নাবিক ‘এর একটি উল্লেখযোগ্য প্রকল্প , চক্ষু চিকিৎসা ক্ষেত্রে ঢাকার মিরপুরে গ্লকুমা হাসপাতাল নির্মাণ। তিনি নাবিক’এর তরফ থেকে মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের বৃত্তি প্রদানের বিষয়টিও উল্লেখ করেন।

ড রাশেদ নিজাম যুক্তরাষ্ট্রের অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে সম্পৃক্ততার কথাও উল্লেখ করেন। তিনি বলেন যে নাবিক , ইসনা কিংবা এ জাতীয় ইসলামি সংগঠন সব সময়ে আমন্ত্রণ জানিয়েছে , অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের তাদের অনুষ্ঠানে। বিশেষত এই রোজার মাসে তারা ইফতার অনুষ্ঠানের  আয়োজন করে থাকেন , সেখানে অন্য ধর্মের লোকেরা আমন্ত্রিত হন এবং তারা বুঝতে পারেন রমজান পালনের মাহাত্ম সম্পর্কে , অনুভব করেন এই সংযম রক্ষার প্রযোজনীয়তার বিষয়টি। তিনি বলেন যে অন্য ধর্মাবলম্বীরা এই বিষয়গুলিকে অত্যন্ত ইতিবাচক ভাবে দেখেন যখন বোঝেন যে এই রোজা পালনে মূলত মুসলমানরা অনুভব করেন অভাবগ্রস্ত মানুষের বেদনা এবং তাদের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেন।

 

 

<!–AV–>

[Read More]

—–
Source: VOA News: Economy and Finance


 

Comments are closed. Please check back later.

 
 
 
1