বাংলাদেশ ইসলামী ব্যাঙ্ক যথার্থ ব্যাঙ্ক ব্যবস্থা হিসেবেই চিহ্নিত

<!–IMAGE–>

যুক্তরাষ্ট্রের আর্থ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান গ্লোবাল ফাইনান্স সম্প্রতি  বাংলাদেশের ইসলামী ব্যাঙ্ককে ইসলামী আর্থ প্রতিষ্ঠান ক্যাটাগরীতে শ্রেষ্ঠ ব্যাঙ্ক রূপে চিহ্নিত করেছে  এবং এই গত শনিবার ৯ অক্টোবর ওয়াশিংটনের ন্যাশনাল প্রেস ক্লাবে ২০১০ সালের বিশ্বের সেরা ব্যাঙ্ক পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে ইসলামী ব্যাঙ্ক বাংলাদেশ লিমিটেডকে এ পুরস্কার প্রদান করা হয় । পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানের পর ঐ দিনই সন্ধ্যায় ম্যারীলান্ডের সিলভার স্প্রিংয়ের মুসলিম কমিউনিটি সেন্টার mcc-তে অনুষ্ঠিত এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয় , বাংলাদেশে ইসলামী ব্যাঙ্ক ব্যবস্থার কর্মতত্পরতা নিয়ে আলোকপাতের উদ্দেশে । অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রদূত সাবেক সচিব এ কে এম কামালউদ্দীন চৌধুরী এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশ্ব ব্যাঙ্কের পরামর্শকরুপে কর্মরত ব্যাঙ্ক বিশেষজ্ঞ জায়গাম  মাহমূদ রিযভী ।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য উপস্থাপনকালে জায়ঘাম মাহমূদ রিজভী বলেন, বাংলাদেশে ইসলামী ব্যাঙ্কের চেয়েও ভালো করেছে একমাত্র যে ব্যাঙ্ক সেটি হলো গ্রামীণ ব্যাঙ্ক, তবে কিনা তাদের কর্ম তত্পরতা কিছুটা ভিন্ন ধরণের, তাদের প্রধান লক্ষাদর্শ প্রচলিত ব্যাঙ্কিং নয় তাদের লক্ষ ক্ষুদ্র ঋণ ব্যবস্থা ।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথির ভাষণে  এ কে এম কামালউদ্দীন চৌধুরী বলেন প্রচলিত ধারার ব্যাঙ্ক সব সময়ই , অর্থ উপার্জনের দিকে দৃষ্টি নিবদ্ধ রাখে, শেয়ার হোল্ডারদের জন্যে লাভ লোকসানের খতিয়ান রেখে চলাই প্রচলিত ব্যাঙ্ক ব্যবস্থার রীতি বলেই সেদিকেই  তাদের দৃষ্টি নিবদ্ধ থাকে । কিন্তু ইসলামী ব্যাঙ্ক সমাজ উন্নয়নের দিকেও যত্নবান সদা সর্বদা ।

বাংলাদেশ ইসলামী ব্যাঙ্ক অনাকাংখিত কোনো তত্পরতায় সংশ্লিষ্ট কোনো গোষ্ঠীর সঙ্গে কোনোরকম লেনদেনে জড়িত কিনা এ প্রশ্নের জবাবে বিশ্ব ব্যাঙ্কের পরামর্শক মাহমূদ রিযভী বলেন – বাংলাদেশ ইসলামী ব্যাঙ্কের ওপর কড়া নজর রাখা হয় । শুধু বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কই নয়,  দেশের বাইরের আন্তর্জাতিক সংস্থার তরফেও কড়া নজর রাখা হয় বাংলাদেশ ইসলামী ব্যাঙ্কের কর্ম তত্পরতার ওপরে ।

শুধু যুক্তরাষ্ট্রের গ্লোবাল ফাইনান্সের মতো আন্তর্জাতিক সংস্থাই নয়  বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষও  বাংলাদেশ ইসলামী ব্যাঙ্ককে যথার্থ ব্যাঙ্ক ব্যবস্থা রূপে চিহ্নিত করেছে। বাংলাদেশ ইসলামী ব্যাঙ্কের মোট আমানতের পরিমাণ এখন অর্থের অঙ্কে ৪ শো কোটি ডলারেরও বেশি ।

[Read More]

—–
Source: VOA News: War and Conflict


 

Comments are closed. Please check back later.

 
 
 
1