কাকডাকা ভোরে নগরের রাস্তায় মিছিলের মতো দলে দলে ছুটে চলেন পোশাকশিল্পের নারী কর্মীরা। হাতে ছোট্ট একটি খাবারের বাক্স। তাঁদেরই একজন লাইলী। ১৯৯৪ সাল থেকে তিনি একজন পোশাককর্মী।
কাজে যোগ দেওয়ার কিছু দিনের মধ্যেই লাইলীর গর্ভে সন্তান এসেছিল, সাত মাসের গর্ভাবস্থায় মারা যায়। অতিরিক্ত শ্রম ও অপুষ্টিতে পৃথিবীর মুখ দেখতে পারেনি অনাগত সন্তানটি। দুর্ঘটনার সাত দিনের মাথায় কাজে যোগ দিতে বাধ্য হন লাইলী। দ্বিতীয় সন্তান হওয়ার সময়ও ছুটি বা কোনো টাকা-পয়সা পাননি। পোশাক কারখানায় শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র না থাকায় পাঁচ মাসের সন্তানকে গ্রামে রেখে আসতে হয়েছে। তবুও নিজেকে সৌভাগ্যবতী…
[Read More]
—–
Source: প্রথম আলো RSS
Comments are closed. Please check back later.